আমরা দ্বিতীয় বিপ্লব শুরু করছি
স্বাধীনতার পাঁচ দশক পার হয়েছে। ক্ষমতা বারবার হাতবদল হয়েছে। কিন্তু শাসনকাঠামোর মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসেনি। ক্ষমতা কেন্দ্রে জমা হয়েছে। নাগরিক ও রাষ্ট্রের দূরত্ব বেড়েছে। এই বাস্তবতায় রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন চিন্তা প্রয়োজন।
বাকশাল কোনো গতানুগতিক ক্ষমতা-কেন্দ্রিক রাজনৈতিক দল নয়। এটি একটি রাজনৈতিক দর্শন। আপনার রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হবে; এটি তার একটি শাসনতান্ত্রিক রূপরেখা।
শাসনতান্ত্রিক বিবর্তন
বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবর্তনকে তিনটি ধাপে বুঝতে হবে।
১৯৭২ সালের সংবিধান আমাদের স্বাধীন প্রজাতন্ত্রের আইনি ভিত্তি দেয়। যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ পুনর্গঠন এবং প্রশাসনিক সংকট মোকাবেলায় সেই কাঠামোর কিছু দুর্বলতা দ্রুত স্পষ্ট হয়।
১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনী এবং বাকশালের প্রস্তাবনা ছিল সেই সংকট সমাধানের পদ্ধতিগত উদ্যোগ। এটি ছিল প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতির কাঠামোগত মডেল। ইতিহাস এই প্রকল্পটিকে সম্পূর্ণ হওয়ার সুযোগ দেয়নি।
আমরা অতীতকে হুবহু ফিরিয়ে আনছি না। আমরা সেই অসম্পূর্ণ শাসনতান্ত্রিক চিন্তাকে ২০৪০ সালের বাস্তবতায় নতুন রূপ দিচ্ছি। ২০৪০ সালের মডেলে আপনি রাষ্ট্রের শুধু একজন ভোটার নন। আপনি রাষ্ট্রের একজন সক্রিয় সহ-নির্মাতা।
ভবিষ্যতের রাষ্ট্রকাঠামো
নতুন এই রূপরেখার মূল ভিত্তি হলো অংশগ্রহণমূলক শাসন। ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা রাষ্ট্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করব। স্থানীয় সরকারকে ক্ষমতার মূল কেন্দ্রে আনা হবে। শিক্ষা; স্বাস্থ্য এবং সামাজিক নিরাপত্তাকে অবিচ্ছেদ্য নাগরিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।
কেন্দ্রীয় আর্কাইভ ও সহকারী
Access the Declassified Historical Database